২০০৮সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী সাহাদাদ হোসেনকে হারিয়েছিলেন বামফ্রন্টের প্রার্থী হাজি কেতাবুদ্দিন মালদা জেলা পরিষদের এই কেন্দ্র থেকে। আজ এই দুই নেতাই শাসক দলের নেতা। জেলা নেতৃত্বের নির্দেশে দুই নেতাই জেলা পরিষদে মনোনয়ন করেছেন। আর এমন অবস্থায় শুরু হয়েছে বির্তক। বর্তমানে কালিয়াচক ১নং ব্লকের ৩৫নং জেলা পরিষদ আসনের তৃণমূল কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক হাজি কেতাবুদ্দিন।ফলে এলাকাবাসীর দাবী হাজি কেতাবুদ্দিনকে প্রার্থী করতে হবে। আর এই দাবী নিয়ে হাজি কেতাবুদ্দিনকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান এলাকাবাসী।রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশ মেনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিতেই এলাকার কয়েক হাজার তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা হাজি কেতাবুদ্দিনের কাছে যান এবং ঘন্টা পাচেক ঘেরাও করে রাখেন। বাসিন্দাদের দাবী যদি তৃণমূল কংগ্রেস টিকিট না দেয় তবে নির্দল হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আবেদন জানান হাজি কেতাবুদ্দিনকে। এমনআ বিড়ম্বনায় হাজি কেতাবুদ্দিন কর্মীদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। অবশেষে কর্মীদের দাবী জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বকে জানাবেন এমন প্রতিশ্রুতি দেবার পর বিক্ষোভ তোলেন কর্মীরা।এদিকে এই বিষয়ে হাজি কেতাবুদ্দিন বলেন দলের নির্দেশ মেনে চলবেন। তবে এলাকাবাসীর আবেগকে সম্মান জানিয়ে বিষয়টি বিবেচনার জন্য পুনরায় রাজ্য নেতৃত্বকে আবেদন করবেন। এদিকে তিনি বলেন বিগতদিনে এই অঞ্চলের উন্নয়নের করার চেষ্টা করেছেন। সাধারন মানুষের পাশে থেকেছেন। এলাকার বাসিন্দাদের তাই আবেগ হওয়া স্বাভাবিক। এলাকাবাসীরা জানান সাহাদাদের হোসেন কোন প্রভাব নেই এলাকায়।এলাকার উন্নয়নের জন্য কোনদিন কাজ করেন নি। শুধু তাই নয় এলাকার শান্তি বজায় রাখতে কোনদিন উদ্যোগী হন নি তিনি।তাই এলাকার স্বার্থে হাজি কেতাবুদ্দিনকে প্রার্থী করুক তৃণমূল কংগ্রেস। যদি প্রার্থী না করা হয় তবে নির্দল হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার দাবী তোলেন তারা। আর হাজি কেতাবুদ্দিনকে তাঁরা ভোট দিয়ে মালদা জেলা পরিষদে এই আসন থেকে জয়ী করে তৃণমূল কংগ্রেসকে জেলা পরিষদ গঠনে সাহার্য্য করবে।
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে
https://www.youtube.com/embed/YR2tQwhYZlc